বাংলাদেশ

আইন সহায়তা ফাউন্ডেশন

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় মোঃ শাহাবউদ্দিন এক অভিযাত্রার নাম

নারী ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য যে ক’জন মানুষ নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, মোঃ শাহাবউদ্দিন তাঁদের অন্যতম। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমে গড়ে ওঠে বর্তমানে চট্টগ্রামে সবার কাছে সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই এ প্রতিষ্ঠানের মুখ্য উদ্দেশ্য। আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্যমূলক কার্যক্রম বন্ধে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি মানবাধিকার রক্ষার্থে আইন, সহিংসতা বন্ধ, বস্তি উচ্ছেদ কার্যক্রম বন্ধ, সংখ্যালঘুদের স্বার্থ রক্ষা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সংঘটিত সহিংসতা বন্ধে কাজ করে। আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন সামাজিক ইতিবাচক কার্যক্রমকে উত্সাহিত করার পাশাপাশি নীতি নির্ধারণেও ভূমিকা রাখছে। তবে মোঃ শাহাবউদ্দিন শুধু চট্টগ্রাম এ নন, বাংলাদেশে যাঁরা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেন তিনি তাঁদের মধ্যে একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা।তিনি অবহেলিত মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য বিভিন্ন মানবতাবাদী মানুষের প্রেরণাযোগান। সেই থেকে আজও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বিশিষ্ট এই মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিক তাঁকে নিয়েই এবারের পথিকৃত্ আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশনের যাত্রা ২০০০ সালে তিনি এবং আরও কয়েকজন বন্ধুবান্দব মিলে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে প্রথমে মানুষের অধিকার কথা ভাবেন এবং মানবাধিকার কর্মী হিসাবে কাজ শুরু করেন এসব সাধারণ মানুষ তাদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে মোটেই সচেতন ছিল না। তাছাড়া প্রথমে তারা বিশ্বাসই করত না যে, টাকাপয়সা ছাড়া কেউ এরকম সহায়তা দিতে পারে। এ অবস্থায় মোঃ শাহাবউদ্দিন-সহ অন্যান্যরা হতাশ হয়ে পড়েন। কিন্তু পরে তাঁরা এসব মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করেন এবং তাঁদেরকে বিনামূল্যে সহায়তা দেয়ার কথা জানান। দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে জানার পর সহায়তা নেয়ার জন্য ধীরে ধীরে আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশনে থেকে কয়েকটি বিষয়ের দিকে বেশি গুরুত্ব দেই যেমন—আর্থিকভাবে অসচ্ছল নারী, শ্রমিক এবং শিশু শ্রমিক। এটা কেবল কোর্টের সাথে সম্পৃক্ত নয় বরং আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশনের কাজ প্রথমে বস্তিতে থাকা মানুষগুলোকে নিয়ে শুরু করলাম। তাদের সাথে কথা বললাম, আইন সম্পর্কে জানালাম। এরপর নারীরা যখন জানতে পারল যে তাদের কিছু অধিকার আছে। তারপর তারা আমাদের কাছে সহায়তার জন্য আসলো। কারণ নারীরা প্রধানত পরিবারের অধীনস্থ হয়ে থাকে আর এখান থেকেই পারিবারিক সন্ত্রাসের শুরু হয়। নারীরা পরিবারে, কর্মক্ষেত্রে আর সমাজে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নীতি ও আইন সংস্কারের জন্য সংগ্রাম করে আসছে। নারী সংগঠনগুলো অনেক দূর এগিয়েছে, কিছু কিছু নারী অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছে।

মন্তব্য

আপনার ইমেইল প্রচার করা হবে না.

All Replys